Press "Enter" to skip to content

পূর্বধলায় বহিরাগত যুবলীগ নেতাদের নিয়ে ফেইসবুকে তোলপাড়

নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় আওয়ামী যুবলীগের রাজনীতিতে অনেক বহিরাগত, স্বার্থন্বেষী, সেল্ফিবাজ ও যারা শুধু টাকার বিনিময়ে জেলা-উপজেলাসহ বিভিন্ন কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়িত হয়ে গেছেন বর্তমানে। তারা হলেন, যুবলীগের সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান উজ্জ্বল এবং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ। তবে রাজনীতি জীবনে কোন দিনও সেসব সুবিধাভোগী নেতাদের ওয়ান ইলেভেন (ফখরুল/মইনুদ্দিন) আমলে বা নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনের সময় রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করা তো দূরের কথা বরং বর্তমানে দলীয় সব প্রোগ্রামেও তাঁদের আন্তরিক উপস্থিতি দেখিনি বলে নিজ ফেইসবুক আইডিতে এমনটাই দাবি করেছেন সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক ব্যবহারকারি আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শনিবার (৩০ মে) সকালে এক প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা রাজিব মিয়া তাঁর নিজ ফেইসবুক আইডি থেকে একটি পাবলিক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন। বর্তমানে এ নিয়ে পূর্বধলা উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

সোস্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেয়া ওই ছাত্রলীগ নেতা রাজিবের ফেইসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো – ভাড়িটিয়া পান্ডাদের আওয়ামী রাজনীতিতে আমরা পূর্বধলা দেখতে চায় না…. হাজার বছরের শ্রেষ্ট্র বাঙালি জাতির পিতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বিশ্বরত্ন শেখ হাসিনা দিনরাত নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের স্বার্থে এবং দেশের জনগণের স্বার্থে আর সেই কাজের প্রেক্ষাপ্রট অনুযায়ী কিছু কিছু ভাড়াটিয়া ও বহিরাগত পাল্ডা দেশটাকে নিজের বাপের জমিদারি মনে করে দেশটাকে শোষন করে যাচ্ছে এবং জনগণরের সম্পদকে নিজের বাপ দাদার জমিদারি মনে করে হাতিয়ে নিচ্ছে আমাদের নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার এই দুই ভাড়িটিয়া বহিরাগত পান্ডা.

সুকান্ত সরকার রঞ্জন তার ফেসবুক মন্তব্যে বলেন, বিগত বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে আমরা যখন মাঠে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি……মামলা হামলার শিকার হয়ে, বাসা বাড়ি ভাঙ্গচুর, দোকান পাঠ লোটপাট হয়েছে….তখন তো ওনাদেরকে আমরা মাঠে দেখিনি…..যখনি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলো তখনি ওনারা কোথা হতে উদয় হলেন তা উপরওয়ালাই জানেন।

মোস্তাক আহামেদ খান বলেন, বহিরাগতদের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে পূর্বধলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হোক। এছাড়াও পুব’ধলা আ.লীগের রাজনীতিতে অভিসাপ্ত এই দুই নেতাকে পুর্বধলা থেকে খুব তারা বিতারিত করতে হবে নতুবা পুর্বধলার রাজনীতির শেষ হয়ে যাবে এমনটাই দাবী দলীয় নেতাকর্মীদের।

More from রাজনীতিMore posts in রাজনীতি »

Be Fir to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *