সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পানিতে পূর্বধলা কাঁচাবাজার; অসম্পূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা – পূর্বধলার দর্পন
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ | ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, গ্রীষ্মকাল

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পানিতে পূর্বধলা কাঁচাবাজার; অসম্পূর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক: দর্পন নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: May 25, 2026

সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে নেত্রকোনার পূর্বধলা সদর বাজারের কাঁচাবাজার এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জুয়েলারি রোড। রাস্তায় জমে থাকা নোংরা পানি ড্রেন দিয়ে নামতে না পেরে উল্টো দোকানপাটে ঢুকে মালামাল নষ্ট হওয়ায় চরম চরম ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় শতাধিক ব্যবসায়ী। বিশেষ করে কাঁচামাল ব্যবসায়ীদের আলু, পেঁয়াজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পচে নষ্ট হওয়ায় তাদের ব্যবসা এখন প্রায় স্থবির।

​আজ সোমবার (২৫ মে) সকালে সরেজমিনে পূর্বধলা সদর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অল্প সময়ের মাঝারি বৃষ্টিপাতেই পুরো সড়কটি যেন নদীতে পরিণত হয়েছে। নোংরা ও দুর্গন্ধময় পানি মাড়িয়ে পথচারীদের চলাচল করতে হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা বাজারে আসতে পারছেন না। এতে ঈদের আগে বাজারের বেচাকেনা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, জুয়েলারি রোড এলাকায় রাস্তার দুই পাশে কাঁচামাল, মুদি, জুয়েলারি ও মুরগির দোকানসহ প্রায় শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কাঁচাবাজারের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান ড্রেনটি সম্প্রতি সংস্কার করা হলেও কাজ অসম্পূর্ণ রেখে ঠিকাদার চলে গেছে। ড্রেনের দুই পাশে উঁচু দেয়াল নির্মাণ করা হলেও বৃষ্টির পানি রাস্তা থেকে ড্রেনে প্রবেশের জন্য কোনো কালভার্ট বা পর্যাপ্ত মুখ (হোল) রাখা হয়নি। ফলে বৃষ্টির পানি রাস্তা থেকে উপচে দোকানে ঢুকছে, কিন্তু ড্রেনে নামতে পারছে না।

ক্ষতিগ্রস্ত কাঁচামাল ও মুদি ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সপ্তাহ খানেক আগে এমপি মানসুরা আক্তার নিজেই প্রেসক্লাবে এসে পূর্বধলার অবহেলার কথা বলে গেছেন। এই কাঁচাবাজারের চিত্রই তার প্রমাণ। এভাবে চলতে থাকলে ঈদের আগে আমাদের বড় ধরনের মূলধন হারাতে হবে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমাদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।”

​স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা পূর্বধলা উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত এই অসম্পূর্ণ ড্রেনের পূর্ণাঙ্গ সংস্কার এবং জমে থাকা বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।