পূর্বধলায় ৪ হাজার শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও সাবান বিতরণ করল ওয়ার্ল্ড ভিশন – পূর্বধলার দর্পন
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ | ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, গ্রীষ্মকাল

পূর্বধলায় ৪ হাজার শিশুর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও সাবান বিতরণ করল ওয়ার্ল্ড ভিশন

প্রতিবেদক: দর্পন নিউজ ডেস্ক | প্রকাশিত: June 9, 2026

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় ৪ হাজার নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শিশুর মাঝে বিশেষ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর উপজেলা এরিয়া ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে পূর্বধলা এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) কার্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশে শিশুদের হাতে এসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

​বর্ষা মৌসুম ও স্বাস্থ্যবিধির কথা বিবেচনা করে এবার প্রতিটি শিশুর হাতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও উন্নতমানের ছাতা, খাতা এবং সাবান তুলে দেওয়া হয়েছে।

সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মফিজুল হক। শিশুদের হাতে উপহার তুলে দিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিশুদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই চলবে না, তাদের মাঝে শৈশব থেকেই নৈতিক মূল্যবোধ, পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতার শিক্ষাও সমানভাবে দিতে হবে। ওয়ার্ল্ড ভিশনের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রামীণ জনপদের দরিদ্র ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে এবং তাদের পড়াশোনায় আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে ব্যাপক সহায়তা করবে।”

​পূর্বধলা এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্মকর্তারা জানান, করোনাকালীন পরবর্তী সময়ে শিশুদের নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি চর্চায় উৎসাহিত করা, ঝরে পড়া রোধ করে শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং বর্ষাকালে তাদের দৈনন্দিন বিদ্যালয়ে যাতায়াতের প্রয়োজনের কিছুটা সহায়তা করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নান্দাইল এরিয়া কো-অর্ডিনেশন অফিসের প্রোগ্রাম কোয়ালিটি স্পেশালিস্ট মো. মবিন উদ্দিন। পূর্বধলা এপির স্পন্সরশিপ অ্যান্ড চাইল্ড প্রোটেকশন কর্মকর্তা ভজন চিরান-এর সুনিপুণ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পূর্বধলা এপির প্রোগ্রাম অফিসার ব্যাবলি রংমা

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং উপকারভোগী শিশু ও তাদের অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন। উপহার পেয়ে শিশুদের চোখে-মুখে আনন্দের এক অভূতপূর্ব আভা লক্ষ্য করা গেছে।