বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং আধুনিক নির্বাচনী রণকৌশল তৃণমূলে পৌঁছে দিতে রাজধানী ঢাকায় দিনব্যাপী এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এই কর্মশালায় দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মনোনীত প্রতিনিধিদের ‘চীফ এজেন্ট’ হিসেবে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের মনোনীত প্রার্থী আবু তাহের তালুকদারের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান ফকির। তিনি এই আসনে ‘চীফ এজেন্ট’ হিসেবে নির্বাচনী সকল কৌশল ও কেন্দ্র ব্যবস্থাপনার মূল সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মশালায় বিএনপি আগামীতে সরকার গঠন করলে জনস্বার্থে কী কী পদক্ষেপ নেবে, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো হলো: কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড: কৃষকদের উন্নয়ন ও মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা এবং সবার জন্য আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। সুশাসন ও আইনের শাসন: মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা।
এক যৌথ বার্তায় নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক ডক্টর রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন, “আমরা জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের প্রতিনিধিরা জনগণের কাছে বিএনপির ৩১ দফার বার্তা পৌঁছে দেবেন এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন”।
কর্মশালায় নেত্রকোণার অন্যান্য আসনের মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষেও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁরা হলেন—নেত্রকোণা-১ আসনের জন্য এজমল হোসেন পাইলট, নেত্রকোণা-২ আসনের জন্য কামরুল হক, নেত্রকোণা-৩ আসনের জন্য মো. মজিবুর রহমান মজনু এবং নেত্রকোণা-৪ আসনের জন্য ইমরান খান চৌধুরী।