নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় জ্বালানি তেল (পেট্রোল ও অকটেন) সংগ্রহে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ ‘ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড’ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। উপজেলা ড্যাশবোর্ড থেকে প্রাপ্ত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত উপজেলায় মোট ২ হাজার ১৪৪ জন গ্রাহক এই কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছেন.
ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড অটোমেশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, মোট ২ হাজার ১৪৪টি আবেদনের মধ্যে ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬৮৯টি আবেদন অনুমোদিত হয়েছে. বর্তমানে ৪৪৪টি আবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিবেচনাধীন বা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় রয়েছে. উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত মাত্র ১১টি আবেদন বিভিন্ন কারণে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে এবং আজ নতুন করে আরও ৯৭টি আবেদন জমা পড়েছে. সামগ্রিকভাবে আবেদনের অনুমোদনের হার এখন ৭৯%।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে আবেদনের শীর্ষে রয়েছে পূর্বধলা সদর ইউনিয়ন. ইউনিয়নভিত্তিক আবেদনের চিত্র পূর্বধলা: মোট আবেদন ৫৮৭টি (অনুমোদিত ৫০২টি) গোয়ালাকান্দা: মোট আবেদন ৩১৫টি. আগিয়া: মোট আবেদন ১৯১টি. ধলামূলগাঁও: মোট আবেদন ১৮৭টি, খলিশাউড়: মোট আবেদন ১৪৪টি. জারিয়া: মোট আবেদন ১৪৩টি. ঘাঘড়া: মোট আবেদন ১৩৩টি. নারান্দিয়া: মোট আবেদন ১৩২টি. হোগলা: মোট আবেদন ১২৭টি. বিশকাকুনী: মোট আবেদন ১০২টি. বৈরাটী: মোট আবেদন ৮৩টি.
নেত্রকোণা জেলা প্রশাসনের এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ সুষ্ঠু রাখতে এই ডিজিটাল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে. আগামী ১৭ মে ২০২৬ তারিখের মধ্যে সকল মোটরযান চালকদের আবশ্যিকভাবে এই ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে হবে. ১৮ মে ২০২৬ তারিখ থেকে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড ব্যতীত জেলার কোনো ফিলিং স্টেশন হতে জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে না বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, এই কার্ড চালুর ফলে পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন কমবে এবং জ্বালানি তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অবৈধ মজুদ বা কালোবাজারি রোধ করা সম্ভব হবে।