নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বররিয়া গ্রামে পূর্ব বিরোধের জেরে এক কৃষকের ধানক্ষেত কেটে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৯টি পরিবার গত দুই সপ্তাহ ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক বাবুল খানের দাবি, গত ৬ মার্চ শ্যামগঞ্জ বাজারে তাঁর কাঁচামালের দোকানের জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশী দুলাল মিয়ার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুলাল মিয়া ও তাঁর লোকজন বাবুল খান ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন। এই ঘটনার পর থেকেই প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো স্বাভাবিকভাবে বাড়ি থেকে বের হতে পারছে না।
বাবুল খান জানান, প্রতিপক্ষের ভয়ে তাঁরা প্রায় তিন একর জমিতে সেচ, সার বা কীটনাশক দিতে পারছেন না। এর মধ্যে গত বুধবার দিবাগত রাতে তাঁর প্রায় আড়াই শতাংশ জমির ধান কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতে করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তিনি।
অভিযুক্ত দুলাল মিয়ার স্ত্রী সাবিনা আক্তার মুঠোফোনে জানান, তাঁদের ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে বাদীপক্ষ নিজেরাই ধান কেটে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।
বৈরাটি ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান তালুকদার মোশাররফ জানান, পূর্ব বিরোধের কথা শুনলেও ধান কাটার বিষয়টি তাঁকে কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। শ্যামগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আমিনুল ইসলাম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।